ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাটি ১৯ কিলোমিটার সীমান্ত হওয়ায় অনেক সময় চোরাকারবারিরা মাথা চারা দিয়ে ওঠে তবে বসে নেই বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি বিভিন্ন সময়ে অবৈধ মালামালের বড় বড় চালান নিয়ে ধরা পড়ছে বিজিবি অভিযানে।
ধারাবাহিকভাবে এই অভিযান পরিচালনাকালীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া *সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) অভিযানে প্রায় ০১ কোটি ৯০ লক্ষ ৬৬ হাজার ৭০ টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ ভিবিন্ন প্রকার মালামাল জব্দ করা হয়।
মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর নির্দেশনা “বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক” এ মূলমন্ত্রে দিক্ষিত হয়ে সীমান্তে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর অধিনায়ক, লেঃ কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, এএসসি এর দিক নির্দেশনা ও সুনিপুন পরিকল্পনা মোতাবেক কুমিল্লা জেলার ব্রাক্ষণপাড়া ও আদর্শ সদর উপজেলা এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার সীমান্ত এলাকা হতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ মালামাল জব্দ করতে সক্ষম হয়।
০৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে* সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার ব্রাক্ষণপাড়া উপজেলার শশীদল বিওপি, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বড়জ্বালা বিওপি এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার খাদলা বিওপির টহলদল দায়িত্ব পূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পৃথক পৃথক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে *০১টি পিকআপসহ ভারতীয় বিপুল পরিমাণ জিরা, মেহেদী, বিভিন্ন ধরনের কসমেটিক্স সামগ্রী, শাড়ী, বাসমতি চাউল, সাবান, ফুসকা ও বাঁজী ও ভিবিন্ন প্রকার ঔষধ জব্দ করতে সক্ষম হয়।
আটককৃত চোরাচালানী মালামালের সর্বমোট নিরুপিত সিজার মূল্য আনুমানিক ১,৯০,৬৬,০৭০/- (এক কোটি নব্বই লক্ষ চেষট্টি হাজার সত্তর) টাকা। আটককৃত চোরাচালানী মালামালসমূহ কাষ্টমস্ অফিসে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) সর্বদা সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব চোরাচালানী মালামাল জব্দ করা হয়। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০) বিজিবি
লেঃ কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, এএসসি
পরিচালক ও অধিনায়ক বলেন সীমান্ত নিরাপত্তায় অতন্ত্র প্রহরী বিজিবি বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড সদা সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে এবং চোরা চালানোর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বাস মালিকরা এবার নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন সড়ক ও সেতু, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী Sheikh Robiul Alam। সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর Mohakhali Bus Terminal পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, অনেক ক্ষেত্রে বাসগুলো নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কিছুটা কম ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কোথাও কোথাও ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কম নেওয়া হচ্ছে। অতীতে যাত্রী কম থাকলে অনেক পরিবহন কম ভাড়ায় যাত্রী নেওয়ার অভ্যাস ছিল, এখনও কিছু বাস সেই অনুযায়ী ভাড়া নিচ্ছে। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত ভাড়া ৭০০ টাকা হলেও কেউ ৬০০ বা ৬৮০ টাকায় যাত্রী নিচ্ছেন। গত সাত দিনে নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়ার কোনো ঘটনা পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি। সড়কমন্ত্রী আরও বলেন, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে এক টাকাও বেশি নেওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টি তদারকিতে মোবাইল কোর্ট, ভিজিলেন্স টিম এবং পুলিশের কন্ট্রোল রুম সক্রিয় রয়েছে। কোনো যাত্রী অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ ২৪ ঘণ্টা নজরদারিতে রয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, Rangpur-এ এক যাত্রী ১০০ টাকা বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন। বিষয়টি জানার পর তিনি সেখানকার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেন। পরে যাচাই করে দেখা যায়, নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়া হয়নি। আগে যাত্রী কম থাকায় অনেক সময় কম ভাড়ায় যাত্রী নেওয়া হতো, এখন নির্ধারিত ভাড়ার কাছাকাছি ভাড়া নেওয়ায় কিছু যাত্রীর কাছে তা বেশি মনে হতে পারে। এ সময় মন্ত্রী আরও জানান, গণপরিবহনে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ছে না এবং পরিবহন মালিকরা প্রয়োজনীয় জ্বালানি পাচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। কোথাও তেল না পাওয়ার অভিযোগ থাকলে নির্দিষ্টভাবে জানাতে বলা হয়েছে, কারণ জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব বলেও তিনি জানান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া উপজেলায় অভিনব কায়দায় দুই নারী মাদক কারবারি মাদক বহন করছিল এবং সংবাদের ভিত্তিতে আখাউড়া থানা পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান চালায়। ১২/০৪/২০২৬ সকাল ১১.৪৫ ঘটিকায় আখাউড়া থানা পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আখাউড়া পৌর সভাস্থ মসজিদ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এস আই ফারুক এস আই ইমরান ও সঙ্গীয়ও ফোর্স সহ এই অভিযান পরিচালনাকালে এ সময় ০২ জন নারী মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে। এবং তাদের দেহ তল্লাশীকালে অভিনব কায়দায় শরীরের সাথে কসটেপ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় ০২ জনের নিকট হতে ০৭ (সাত) কেজি গাঁজা উদ্ধার করে আখাউড়া থানা পুলিশের এই চৌকস টিম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আমেনা আক্তারের বিরুদ্ধে ০৩টি এবং ফুল বানুর বিরুদ্ধে ০১টি মাদক মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন ১। আমেনা আক্তার (২৪) স্বামী আনোয়ার হোসেন মাতা সুফিয়া গ্রাম আব্দুল্লাহপুর২। ফুল বানু (৪২) স্বামী কামাল মিয়া মাতা আরজ বেগম সাং রাধানগর মডেল মসজিদপাড়া থানা আখাউড়া জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। এ-সংক্রান্ত আখাউড়া থানায় একটি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে। থানা সূত্রে জানানো হয় মাদকের বিরুদ্ধে আখাউড়া থানা পুলিশ জিরো টলারেন্স এ কাজ করছে এবং মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন আখাউড়া থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি জাবেদ উল ইসলাম।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, জীবন ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করে একটি দক্ষ জাতি গঠনে বর্তমান সরকার গুরুত্বের সাথে কাজ করছে। তিনি বলেন, ইতোপূর্বে শিক্ষাঙ্গনকে নকলমুক্ত করার মত এবার তরুণ জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তোলার বৈপ্লবিক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয় এবং মালয়েশিয়ার ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসের একটি প্রতিনিধি দলের সাথে মতবিনিময় কালে এসব কথা বলেন তিনি। সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান শামসুল আলম লিটন, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুল বারী মজুমদার, উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এবং ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আরিফুল বারী মজুমদারসহ উর্ধতন কর্মকর্তা ও শিক্ষকবৃন্দ। এ সময় তারা দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনসহ বেশকিছু পরিকল্পনা মন্ত্রীর কাছে পেশ করেন। পরে শিক্ষামন্ত্রী দক্ষ জাতি গঠনের তাঁর দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং এ ব্যাপারে বিশ্ববদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক, গবেষকসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেন। মতবিনিময়কালে তাঁরা দেশে উচ্চ শিক্ষার বিভিন্ন দিক, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন। বিশেষ করে কর্মমুখী শিক্ষা, তরুণদের দক্ষতা অর্জন এবং শিক্ষা জীবন শেষে তাদের দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তোলার বিভিন্ন উপায় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। আলোচনার শুরুতে ইউসিএসআই ও অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে ফুল ও ক্রেস্ট উপহার দেয়া হয়। কর্ম ব্যস্ততার মধ্যে সময় দেয়া এবং ধৈর্যসহকারে বক্তব্যে শোনার জন্য মন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। দক্ষ জাতি গঠনে মন্ত্রীর পরিকল্পনা ও যে কোন উদ্যোগ বাস্তবায়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন দুই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তারা আশা করেন আগের মেয়াদে শিক্ষাঙ্গন নকলমুক্ত করতে ড. এহসানুল হক মিলন যেভাবে সফল হয়েছেন তেমনিভাবে এই মেয়াদে দক্ষ জাতি গঠনের কাজেও শিক্ষামন্ত্রী সফল হবেন। উল্লেখ্য, ড. এহসানুল হক মিলন অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট (এসডিআই) এর পরিচালক হিসেবে এক বছর নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর দায়িত্বকালে দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে পেশাভিত্তিক দক্ষতা অর্জনে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কারিকুলাম প্রবর্তন করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যা করা হয়েছে—সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো এমন খবরকে সম্পূর্ণ ভুয়া বলে জানিয়েছে তার কার্যালয়। শনিবার এক প্রতিবেদনে আনাদোলু এজেন্সির এক সাংবাদিক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের কাছে জানতে চান, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো ‘নেতানিয়াহুকে হত্যা করা হয়েছে’ দাবির বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য আছে কি না। জবাবে দপ্তরটি জানায়, ‘এগুলো ভুয়া খবর; প্রধানমন্ত্রী ভালো আছেন।’ এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়েছে, কারণ ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালায়। ওই হামলায় ১,২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়, যার মধ্যে ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিও ছিলেন। এর জবাবে ইসরায়েল, জর্ডান ইরাকসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তেহরানের দাবি, এসব হামলার লক্ষ্য ছিল ওসব দেশে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলাটি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সীমান্তবর্তী হওয়ায় বিভিন্ন সময় অপরাধীর মাদককার বাড়ি চোরাচালানি ও মাদক পাচার সহ চুরি ডাকাতি ও বিভিন্ন অপরাধিরা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে তবে বসে নেই আখাউড়া থানা পুলিশ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ যে কোন অপরাধের বিষয়ে সোচ্চার রয়েছেন এবং তিনি জিরো টলারেন্স এর কাজ করার জন্য কঠোর নির্দেশনাও দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সকল থানা গুলি কে। এরই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করে আসছেন আখাউড়া থানা পুলিশ। আর এইসব অভিযানগুলি দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মোঃ নাজমুস সাকিব, কসবা সার্কেল এবং আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ জাবেদ উল ইসলাম এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) তানভীর আহমদ এর সার্বিক সহযোগীতায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে এস.আই(নিরস্ত্র) শাহাদত হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স সহ একটি বিশেষ টিম ধরখার এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার, ওয়ারেন্ট তামিল ও আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান ডিউটি করা কালে ইং-২৮/০৩/২০২৬ তারিখ, রাত ০১.৩০ ঘটিকার সময় আখাউড়া থানাধীন ০২নং ধরখার ইউপিস্থ ধরখার বাসষ্ট্যান্ডের পূর্বে পাশে বাইতুল ফালাহ জামে মসজিদ সংলগ্ন পূর্ব পাশের বাগানের পাশে পৌছা মাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পাইয়া ডাকাত দলের সদস্যরা ছোটাছুটি করিয়া দৌড়াইয়া পালানোর চেষ্টা কালে অফিসার ফোর্সের সহায়তায় ১। মো: রাসেল (৩১), পিতা-মো: তারু মিয়া, মাতা-রাবেয়া খাতুন, সাং-হাসিমপুর(ভাটামাথা), ধরখার ইউপি, থানা- আখাউড়া, জেলা-ব্রাক্ষণাবড়িয়া, ২। মো: জাবেদ খাদেম (২৭), পিতা-মৃত জামিল হোসেন খাদেম, সাং-দূর্গাপুর (মধ্যপাড়া), ০১নং ওয়ার্ড, থানা-আখাউড়া, জেলা-ব্রাক্ষণবাড়িয়া, ৩। মো: অলিউল্লাহ ভূইয়া @ বাবু (২২), পিতা-মৃত মিজান ভূইয়া, মাতা- বকুল বেগম,সাং-ধরখার (উত্তর পাড়া), থানা-আখাউড়া, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া'দেরকে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপর অজ্ঞাতনামা ০৮/১০ জন ডাকাত পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃত আসামী ও পালিয়ে যাওয়া আসামীদের ফেলে যাওয়া ০১। ০১(এক) টি কাঠের বাটযুক্ত লোহার তৈরী দেশীয় রাম দা, যাহার দৈর্ঘ্য বাট সহ ২৭ ইঞ্চি, ২। ০১(এক) টি কাঠের বাটযুক্ত লোহার তৈরী দেশীয় রাম দা, যাহার দৈর্ঘ্য বাট সহ ২৮ ইঞ্চি, ০৩। ০১(এক) টি কাঠের বাটযুক্ত লোহার তৈরী দেশীয় ছুরি, যাহার দৈর্ঘ্য ১২ ইঞ্চি, ০৪। ০১(এক) টি কাঠের বাটযুক্ত সবুজ রঙ্গের টেপযুক্ত লোহার তৈরী দেশীয় রাম দা, যাহার দৈর্ঘ্য ২২ ইঞ্চি, ০৫। ০১টি ষ্টিলের ফোল্ডিং দেশীয় ছুরি, যাহা খোলা অবস্থায় ৭ ইঞ্চি, ০৬। ০১টি পুরাতন লোহার রড, যাহা লম্বায় ২৪ ইঞ্চি, ০৭। ০১ (একটি) HUAWEi y6 pro পুরাতন সীমবিহীন মোবাইল ফোন, যাহার IMEI No: 860026046699306, IMEI No:860026046735316 সহ উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে আসামীদের বিরুদ্ধে আখাউড়া থানায় নিয়মিত ডাকাতির প্রস্তুতি মামলা রুজু করা হয়। এ বিষয়ে আমাদের কথা হয় আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জাবেদ উল ইসলামের সাথে তিনি আমাদেরকে জানিয়েছেন জনগণের জানমালের দায়িত্ব পুলিশের সেই ক্ষেত্রে সকল ধরনের অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে কাজ করছে আখাউড়া থানা পুলিশ। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য আমরা নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি চুরি ডাকাতি মাদক কারবার এই ধরনের অপরাধ নির্মূলে আমরা সোচ্চার হয়েছি এবং এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলাটি বেশ কিছু এলাকা জুড়ে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতীয় সীমান্ত রয়েছে। বাংলাদেশের ভারতীয় সীমান্তে অতন্ত্র প্রহরী হিসাবে একটি সংস্থা কাজ করছে, যার নাম বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবি। এখন আসা যাক এই সীমান্তে যেই সংস্থাটি সার্বক্ষণিক সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষার কাজে দায়িত্বে রয়েছেন তারা কি দায়িত্ব পালন করছেন এটি আসলে আমাদের বুঝে আসেনা। কসবা উপজেলার বিভিন্ন সীমান্তে আমরা বিভিন্ন সময়ে সরেজমিনে অনুসন্ধান করলে দেখা যায় কসবা উপজেলার যে সমস্ত পয়েন্টে ভারতীয় সীমান্ত রয়েছে সেখানে ভারতের সীমানায় কাটা তারের বেড়া থাকলেও বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে একেবারেই অরক্ষিত। তারপরে রয়েছে বিজিবির দায়িত্বে অবহেলা অতীতে আমরা প্রায় সময় দেখেছি বাংলাদেশের কালোবাজারি মাদক কারবারী এবং ব্লাকাররা অনায়াসেই ঢুকে পড়ছেন ভারতের সীমান্তে। এবং এই অপরাধীরা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে এসব মাদক নিয়ে প্রবেশ করছে কসবা উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে। কিন্তু এখন প্রশ্ন হল বিজিবি তাহলে করছে টা কি। আমরা যদি অতীতের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাই ৮ ই মে কসবা উপজেলার ধজনগর সীমান্ত দিয়ে ১৫ জনের একটি পাচারকারী দল রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ভারত সীমান্তের২০০ গজ ভারতের ভিতরে ঢুকে পড়ে ফলশ্রুতিতে বিএসএফ বাধা দিলে তাদের সাথে হাতাহাতিস্তাধস্তি হয় এক পর্যায়ে বিএসএফ ছরাগুলি করলে মোঃ মোরসালিন ও নবীর হোসেন নামে দুই ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন এবং গঠনস্থলে তাদের মৃত্যু ঘটে। ৯ই মে বিজিবি এবং বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদহ দুটি কসবা থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ। তখন আমরা একটি জিনিস পরিলক্ষিত করি সুলতানপুর (৬০)ব্যাটালিয়ন বিজিবি প্রধান। তিনি একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন সেখানে তিনি উল্লেখ করেন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন এই পাচারকারী দল ভারতের সীমান্ত এলাকার ২০০গজ ভিতরে ঢুকে পড়ে। এখন আসা যাক বিজিবির এই বক্তব্যে এটা যদি বিশ্লেষণ করা হয়। তাহলে একটি বিষয়ে বারবার প্রশ্ন জাগে। ১৫ জনের একটি পাচারকারী দল বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের সীমান্তের ২০০ গজ ভেতরে ঢুকলো অথচ বিজিবির কোন সদস্যের চোখে পরলো না তাহলে বিজিবি বর্ডারে কিসে পাহারা দিচ্ছেন। এটি বিজিবির কাছে জাতির প্রশ্ন। বিজিবির কমান্ডারের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এটি অন্তত পরিষ্কার বর্ডার পাহারায় বিজিবি ব্যর্থ। বিভিন্ন সময়ে কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাপতিত্বে সমন্বয় মিটিং আইনশৃঙ্খলা মিটিং এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন মিটিং পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যে পরিমাণ মাদক কসবা থানা পুলিশ আটক করছেন বিজিবি তার সিকিভাবও মাদক আটক করতে পারে না। তাহলে তার মানেটা কি দাঁড়ায় এটি বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবির মহাপরিচালক এর ভেবে দেখার সময় এসেছে। সীমান্তের অতন্ত্র প্রহরী বর্ডার গার্ড তাদের সুনাম ক্ষুন্ন করছেন এবং দিনের পর দিন তারা ব্যর্থতার পথেই হাঁটছেন এটির তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করছেন সুশীল সমাজ। তবে আশার বানী হল বিজিবির দায়িত্বে অবহেলা করার কারণে যেসব মাদক বাংলাদেশে প্রবেশ করছে এইসব মাদকের বড় বড় চালান কসবা থানা পুলিশ আটক করছেন বিশেষ অভিযান চালিয়ে। প্রায় সময় বড় বড় চালান আটক এর মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স এর কাজ করার যেই ঘোষণা পুলিশ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে সেটি আসলে অক্ষরে অক্ষরে পালন করার চেষ্টা করছেন কসবা থানা পুলিশ। যার ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে মাদকের বড় বড় চালান পুলিশের হাতেই আটক হচ্ছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে অভিযান চালিয়ে ১৩ই মে বুধবার সকাল ০৬.১৫ ঘটিকায় কসবা থানা পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় পুলিশ অত্র থানাধীন পৌরসভার টি আলীর মোড় হতে ০১টি কাভার্ডভ্যান আটক করে। এসময় পুলিশ কাভার্ডভ্যানটি তল্লাশী করে ৪২ (বিয়াল্লিশ) কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ ০১ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত দবিরুলের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে ০২টি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারীর নাম ১। দবিরুল ইসলাম প্রকাশ রাজিব পিতা মোঃ আব্দুল হক গ্রাম রহিমানপুর প্রকাশ লক্ষ্মীপুর গোয়ালপাড়া থানা ঠাকুরগাঁও সদর জেলা ঠাকুরগাঁও। এ বিষয়ে কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজনীন সুলতানার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি জানান মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে জিরো টলারেন্স এ কাজ করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আমরা মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চারা রয়েছি এবং একেবারে জিরো টলারেন্সে কাজ করে যাচ্ছি কসবা উপজেলায় মাদক নির্মল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলার কসবার পৌরসভা এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের বগাবাড়িতে সাওদা আক্তার লামিয়া (এসএসসি পরীক্ষার্থী ২০২৬, বয়স ১৬ বছর ৬ মাস) এর বাল্যবিবাহ হচ্ছে এমন একটি অভিযোগ পাওয়া যায়। ১০ এপ্রিল শুক্রবার তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার প্রতিনিধি ও সঙ্গীয় ফোর্সকে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তানজিল কবির। এসময়ে অভিভাবক হিসেবে মেয়ের বাবা সেন্টু মিয়াকে (৪৫) বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ তে ১০,০০০/- জরিমানা করা হয় এবং তিনি তার মেয়েকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে আর বিয়ে দিবেন না এমন মুচলেকা নেয়া হয়। এছাড়াও বাল্যবিবাহ উপলক্ষে যে খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল তা জব্দ করে আড়াইবাড়ী এতিমখানায় বিতরণ করে দেয়া হয়।